ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ডিজিটাল মার্কেটিং খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ছোট ব্যবসায়ীরাও এখন গ্রাহকদের কাছে দ্রুত ও কার্যকরভাবে পৌঁছাতে এআই-ভিত্তিক মার্কেটিং কৌশল ব্যবহার করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ব্যবসায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তিনির্ভর মার্কেটিংয়ের বিকল্প নেই।
বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের অনলাইন আচরণ বিশ্লেষণ করে তাদের পছন্দ অনুযায়ী বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করছে। এর ফলে কম খরচে নির্দিষ্ট গ্রাহকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। ফেসবুক, গুগল ও ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোও এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিজ্ঞাপন আরও কার্যকর করে তুলছে।
মার্কেটিং বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, আগের তুলনায় এখন গ্রাহকরা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বেশি পছন্দ করেন। তাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের আগ্রহ, কেনাকাটার অভ্যাস ও সার্চ হিস্টোরির ওপর ভিত্তি করে কনটেন্ট তৈরি করছে। এতে বিক্রি বাড়ার পাশাপাশি গ্রাহকের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলা সহজ হচ্ছে।
বাংলাদেশেও ডিজিটাল মার্কেটিং খাতে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে অনলাইনভিত্তিক ছোট ব্যবসাগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, আগে যেখানে একটি ব্যবসার প্রচারণায় অনেক অর্থ ব্যয় হতো, এখন তুলনামূলক কম খরচে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে।
এদিকে ভিডিও কনটেন্ট মার্কেটিং বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। টিকটক, ফেসবুক রিলস এবং ইউটিউব শর্টসের মাধ্যমে ব্র্যান্ডগুলো স্বল্প সময়ে গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক বছরে ভিডিও ও এআই-নির্ভর মার্কেটিং ব্যবসায়িক প্রচারণার মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে।
আমি যখন একজন কর্মীর নিকট থেকে বেস্ট আউটপুট প্রত্যাশা করব তখন অবশ্যই আমাকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে ওই ধরনের একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে। আমাদের দেশে সমস্যা হলো পরিবেশ তৈরি না করেই আমরা প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করি।