লিন্ডসে এ্যালান চেইনী এর ইউসেপ
১৯৭২ সাল থেকে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করছে
ইউসেপ এর যেভাবে পথচলা শুরু হলো
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১। পৃথিবীর বুকে আত্মপ্রকাশ করল নতুন একটি স্বাধীন দেশ, যার নাম বাংলাদেশ। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ। চারিদিকে ধ্বংসের চিহ্ন। সময়টা ১৯৭২ সাল, আন্তর্জাতিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান “সেভ দ্য চিলড্রেন” বাংলাদেশে শিশুদের নিয়ে কাজ করছিল। ওই প্রতিষ্ঠানে নিউজিল্যান্ডের নাগরিক লিন্ডসে এ্যালান চেইনী চাকরি করতেন। তিনি যেদিকে তাঁকিয়েছেন সেদিকেই ধ্বংসযজ্ঞ খুঁজে পেয়েছেন। রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছেন। তিনি দেখেছেন রাতের বেলা অনেক শিশু কমলাপুর রেলস্টেশন, নিউমার্কেট, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকা সহ আরও নানা জায়গায় ঘুমাচ্ছে। এদের থাকার জায়গা ছিলনা। অনেকের বাবা-মা কেউ জীবিত নেই। এই শিশুরা পেটের তাগিদে আর বেঁচে থাকার আশায় বিভিন্ন জায়গায় কাজ করত। তারপর রাতের বেলা এই সকল জায়গায় ঘুমাত। শিশুদের অবস্থা দেখে এ্যালান চেইনীর মন কেঁদে উঠত। তিনি শিশুদের জন্য কিছু করার তাগিদ অনুভব করলেন। কিন্তু একা তাঁর পক্ষে বেশি কিছু করা সম্ভব নয়। তিনি চিন্তা করে বের করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট এ ব্যাপারে তাঁকে সহযোগিতা করতে পারে। তিনি ইন্সটিটিউটের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললেন। তাঁরা তাঁকে আশ্বস্ত করলেন ইন্সটিটিউটের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা তাঁকে সহযোগিতা করবেন। এরপর তিনি পথশিশুদের খোঁজে খোঁজে বের করে ৬০ জনের একটি দল গঠন করলেন। উদ্দেশ্য, শিশুদের পড়ালেখা শেখাবেন। তিনি একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করলেন। স্কুলের নাম দিলেন “রোজগারি শিশু সম্প্রদায় বিদ্যালয়”। ইন্সটিটিউটের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা তাঁকে সহযোগিতা করলেন। তিনি সারাদিন অফিস করে সন্ধ্যার পর শিশু-কিশোরদের পড়ালেখা শেখাতেন। পথশিশুদের থাকার ব্যবস্থা করলেন। একসময় তিনি অনুভব করলেন শুধু পড়ালেখা শিখিয়ে এদের জন্য ভালো মানের চাকরির ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। তিনি বুঝতে পারলেন ওদের জন্য খুব উচ্চমানের পড়ালেখার ব্যবস্থা করাও সম্ভব নয়। কারণ, ওরা ছিল বিভিন্ন বয়সের। ওদের সারাদিন কাজ করতে হবে এবং রাতে পড়ালেখা শিখতে হবে। ফলে তিনি উপলব্ধি করলেন ওদের পড়ালেখার পাশাপাশি হাতে কলমে কোনো বিষয়ের ওপর এমনভাবে প্রশিক্ষণ দিতে হবে যেন ওরা প্রত্যেকে কোনো না কোনো টেকনিক্যাল কাজে পারদর্শী হয়ে উঠতে পারে। অর্থাৎ দক্ষতা অর্জনের প্রতি তিনি মনোনিবেশ করলেন। তারই ধারাবাহিকতায় রোজগারি শিশু সম্প্রদায় বিদ্যালয় এর পাশাপাশি গড়ে তোলেন ইউসেপ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ইউসেপ এর পূর্ণ অর্থ হলো আন্ডারপ্রিভিলেজড চিলড্রেন’স এডুকেশনাল প্রোগ্রামস। ইউসেপ এর অ্যালামনাইরা প্রতিবছর অনুষ্ঠান করে। ১৯৭২-৭৩ সালে যাঁরা রোজগারি শিশু সম্প্রদায় বিদ্যালয় এবং পরবর্তীতে ইউসেপ কারিগরি কেন্দ্রের শিক্ষার্থী ছিল ওরা এখনো প্রতিটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে চলে আসে। লিন্ডসে অ্যালান চেইনীকে ওরা বাবা বলে সম্বোধন করত। এ্যালান চেইনী এখন জীবিত নেই। কিন্তু এখনো ওরা বাবা বলেই ডাকে।
ইউসেপ দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করে ৮০’র দশকে। কিন্তু পড়ালেখা এবং দক্ষতা অর্জনের পরেও ওদের চাকরি পেতে সমস্যা হচ্ছিল। কারণ ওরা তখন নিজেদের মতো করে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করত। ওদের নিজস্ব কোনো পরিচয় ছিল না। এটা ছিল ওদের জন্য একটি সমস্যা। এ কারণে পরবর্তীতে ইউসেপ ওদের চাকরির সুবিধার জন্য “জব প্লেসমেন্ট” ইউনিট চালু করে। ফলে তখন থেকে ওদের পরিচয় নিয়ে আর কোনো সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়নি। ১৯৮৬ সালে চেইনী মারা যান। কিন্তু তার আগেই তিনি ইউসেপ এর শিশুদের পড়ালেখা, দক্ষতা অর্জন এবং জব প্লেসমেন্ট এর একটি কাঠামো তৈরি করে দিয়েছেন। আমরা তাঁর দেখানো ওই মডেল অনুসরণ করেই কাজ করে যাচ্ছি।
লিন্ডসে এ্যালান চেইনী মারা যাওয়ার পর এটি এখন পরিচালিত হচ্ছে একটি বোর্ডের মাধ্যমে। দেশের অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ যেমন বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি সচিব, এবং শিল্পপতিদের সমন্বয়ে প্রায় ৪০ সদস্যের একটি “ইউসেপ অ্যাসোসিয়েশন” রয়েছে। এই ইউসেপ অ্যাসোসিয়েশন থেকেই দুই বছর মেয়াদের জন্য একটি বোর্ড গঠন করা হয়। এই বোর্ডই এখন ইউসেপকে পরিচালনা করছেন।
লিন্ডসে এ্যালান চেইনীর স্বপ্ন কতটুকু পূরণ হয়েছে
এ্যালান চেইনীর স্বপ্ন ছিল এদেশের পথশিশু অর্থাৎ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য পড়ালেখার ব্যবস্থা করা, দক্ষতা অর্জনে ভূমিকা রাখা এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। আমরা মনে করি তাঁর সেই স্বপ্ন পুরোটাই আমরা পূরণ করতে পেরেছি। আমাদের এখান থেকে পড়ালেখা শেষ করে অনেকেই আজকে ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে। কেউ কেউ বিদেশে চলে গেছে এবং ভালো চাকরি করছে। এমনকি কেউ কেউ শিল্পপতিও হয়েছে। অনেকে এখান থেকে পড়ালেখা শেষ করে আরও উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে আবার এখানে এসে চাকরি করছে। ইউসেপ থেকে পড়ালেখা ও দক্ষতা অর্জন করে জীবনে সফল হয়েছে এ রকম অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে। কারও কারও সন্তানেরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার পর্যন্ত হয়েছে। এগুলো ইউসেপ এর অর্জন। এ সকল দিক বিবেচনা করলে আমরা বলতেই পারি চেইনী সাহেব যে স্বপ্ন নিয়ে ইউসেপ গড়ে তুলেছিলেন সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। কিন্তু আমরা যদি পুরো দেশের পথশিশু বা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সাথে তুলনা করি তাহলে হয়তো আমাদের এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। এটা আসলে আমাদের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পাড়ি দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, এদেশে এ ধরনের শিশুর সংখ্যা অসংখ্য। তারপরেও আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ^াস করি চেইনী সাহেব যে ধারা এদেশে শুরু করেছিলেন তা ওই সময়ের জন্য অপরিহার্য ছিল। তাঁর দেখানো পথেই আজ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান নানাভাবে পথশিশু তথা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করছে। আমি বলব লিন্ডসে এ্যালান চেইনী এবং তাঁর গড়া প্রতিষ্ঠান ইউসেপ এক্ষেত্রে অগ্রগামী। আমরা এখনো প্রতিবছর তাঁর জন্মদিন, মৃত্যুদিবস পালন করি। অনুষ্ঠান দুটিতে ইউসেপ এর বোর্ড, অ্যাসোসিয়েশন মেম্বার, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বর্তমান ও প্রাক্তন সকল শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থেকে তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
ইউসেপ এর অর্থায়ন এবং শিক্ষার্থীদের ফি
ইউসেপ এর পথচলা যখন শুরু হয় তখন শিক্ষার্থীদের সবকিছু বিনামূল্যে দেওয়া হতো। ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তখনো আমরা সকল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা এবং শিক্ষার সকল উপকরণ ফ্রি দিয়েছি। এমনকি স্কুল ড্রেস ফ্রি দিয়েছি। যাতায়াত ভাতাও দিয়েছি। কারণ তখন বিভিন্ন বিদেশি ডোনার এজেন্সি থেকে ফান্ড পাওয়া যেত। বর্তমানে এই ফান্ড কমতে কমতে প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে এখন এটা পরিচালিত হচ্ছে স্থানীয় ডোনার ফান্ড থেকে। কিন্তু এই ফান্ড পর্যাপ্ত না। এ কারণে আমরা বাধ্য হয়েই শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অল্প পরিমাণে ফি নিচ্ছি। কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আমাদের ৩৩টি বিদ্যালয় রয়েছে। এগুলো থেকে শিক্ষার্থীরা এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা দিচ্ছে। এই স্কুলগুলোতে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এছাড়া ১০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (ইউসেপ টিভিইটি ইন্সটিটিউট) এবং ৮টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। এ সকল প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার যুবক-যুবতী বিভিন্ন বিষয়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকে।
আমাদের ভোকেশনাল কোর্সগুলোতে আমরা ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। এগুলো ডোনার ফান্ড দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। কিছু কোর্সের ক্ষেত্রে আমরা ফি নিচ্ছি। তবে সেখানেও বাজারমূল্যের চেয়ে কম ফি নিচ্ছি। আমাদের মূল লক্ষ্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মেইন স্ট্রিম-এ নিয়ে আসা। আমাদের লক্ষ্য ব্যবসা বা মুনাফা নয়। লিন্ডসে এ্যালান চেইনী কখনো এই প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসা করতে চাননি। আমরা তাঁর ওই আদর্শকে ধারণ করেই কাজ করছি, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছি। কিছু কিছু প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রচুর কাঁচামাল ব্যবহার করতে হয়। ফলে ওই কোর্সগুলো শেখানোর খরচ বেশি হওয়ার কারণে আমাদেরও কিছু খরচ নিতে হচ্ছে। অর্থাৎ যে সকল কোর্সে ডোনার সাপোর্ট রয়েছে সেখানে আমরা কোনো ফি নিচ্ছি না। কিন্তু যেখানে ডোনার সাপোর্ট নেই সেখানে আমরা ফি নিতে বাধ্য হচ্ছি।
ইউসেপ এর নিজস্ব কোনো ফান্ড নেই। বাস্তবতা হলো বিদেশি ফান্ড আগামীতে একদম থাকবে না। অন্যান্য ফান্ডও অনেক কমে গেছে। স্থানীয় ডোনার ফান্ডও এক সময় বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে ইউসেপকে এক সময় নিজস্ব অর্থায়নে চলতে হবে। সেটারই পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে কিছু কিছু কোর্সে আমরা অল্প অল্প করে কোর্স ফি নিচ্ছি। আমাদের এখানে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স রয়েছে। আমরা আগামীতে আরও অ্যাডভান্স লেভেলের কোর্সের কথা চিন্তা করছি। ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী আমরা যদি জনবল তৈরি করতে না পারি তাহলে এখান থেকে শিখে, প্রশিক্ষণ নিয়ে শিক্ষার্থীরা ভালো কোনো চাকরি পাবে না। আবার জনবল সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠান এবং দেশও সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে না।
ইউসেপ এর প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থান
আমাদের এখানে যাঁরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে তাঁদের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ শেষে নিজ থেকেই ফ্রি-ল্যান্সিং করছে। এছাড়া আমাদের জব প্লেসমেন্ট উইংয়ের মাধ্যমে শতকরা প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী চাকরি পাচ্ছে। চাকরি পাওয়ার কারণ হলো এদেশের অনেক ইন্ডাস্ট্রি জানে এখানে কোন কোন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং প্রশিক্ষণের মান কেমন। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান স্বপ্রণোদিত হয়েও ছেলেমেয়েদের চাকরি দেওয়ার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করছে। কেউ কেউ আবার ব্যবসার সাথেও সম্পৃক্ত হচ্ছে। এ সকল কারণে এখান থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর সাধারণত কেউ বেকার থাকে না।
ইউসেপ এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
ইউসেপ এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় দেশি-বিদেশি ইউনিভার্সিটির সাথে কোলাবোরেশন করে ট্রেনিংগুলোকে আরও ডেভেলপ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিগুলোর সাথেও কোলাবোরেশন করে ট্রেনিংগুলোকে সময় উপযোগী করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশে^র জব মার্কেটের কথা বিবেচনায় রেখে ইতোমধ্যে আমরা ইংলিশ, জাপানী, ইটালিয়ান ভাষা শেখানোর কোর্স চালু করেছি। সফটস্কিল ডেভেলপ করার উদ্যোগ নিয়েছি। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট কিভাবে করা যায়, কিভাবে বিদ্যুতের অপচয় রোধ করা যায়, কিভাবে সবুজের মাত্রা বাড়ানো যায় এবং এই বিষয়গুলো নিয়ে সচেতনতা তৈরির মধ্যদিয়ে কিভাবে আমাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমগুলো চালানো যায় সেগুলোও আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অর্ন্তভুক্ত বিষয়। এছাড়াও আমরা অ্যাডভান্স লেভেল ট্রেনিং, প্রফেশনাল ট্রেনিং নিয়েও কাজ করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।
ইউসেপ পরিচালিত কোর্সসমূহ
ইউসেপ পরিচালিত কোর্সসমূহের মধ্যে রয়েছে ফুড অ্যান্ড বেভারেজ সার্ভিস, বেকারি অ্যান্ড প্রেস্ট্রি প্রোডাকশন, কম্পিউটার অপারেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, কেয়ারগিভিং, অ্যাডভান্স কেয়ারগিভিং, মোবাইল ফোন সার্ভিসিং, ইলেকট্রিক্যাল ইন্সটলেশন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স, সোলার ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং, ওয়েল্ডিং, কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স, অটোমোটিভ মেকানিক্স, প্লাম্বিং, সুইং মেশিন মেইনটেনেন্স, মেশিন শপ প্র্যাকটিস, লেদ মেশিন অপারেশন, মোটর সাইকেল সার্ভিসিং, উড ওয়ার্কিং মেশিন অপারেশন, ড্রাইভিং, বিউটিফিকেশন, টেইলরিং অ্যান্ড ড্রেস মেকিং, অ্যাপারেল স্ক্রিন প্রিন্টিং, ইংলিশ, জাপানী ও ইটালি ভাষা শিক্ষা, ইত্যাদি।
প্রকৌশলী মোহা. আব্দুল মান্নান
ডিরেক্টর, প্রোগ্রাম অ্যান্ড ইনোভেশনস
ইউসেপ